সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দাবি করে মোহাম্মদপুরের প্রস্তাবিত ভোটকেন্দ্র বাতিলের আবেদন
- আপলোড সময় : ১৪-০৮-২০২৬ ০৭:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৪-০৮-২০২৬ ০৭:৩৮:০২ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত ভোটকেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দাবি করে তা বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মোহাম্মদপুর, বলাকাপাড়া, আলীপাড়া ও সরই কিত্তা (আংশিক) এলাকার ভোটারদের জন্য ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত আবেদন জানান ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খলিলুর রহমান।
আবেদনে বলা হয়, ওই চার এলাকায় প্রায় ২ হাজার ৫৬৬ জন ভোটার রয়েছেন। প্রকাশিত খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকায় মোহাম্মদপুর পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যালয়টি মাত্র তিন কক্ষবিশিষ্ট টিনশেড ভবন। এছাড়া কেন্দ্রটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত। ফলে ভোটের দিন নারী-পুরুষ ভোটারদের চলাচল, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ভোটারদের যাতায়াত এবং সার্বিক নিরাপত্তায় সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, মোহাম্মদপুর, বলাকাপাড়া, আলীপাড়া ও সরই কিত্তা এলাকার প্রায় মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বহুতল ভবন, একাধিক কক্ষ ও স্থায়ী অবকাঠামো থাকায় সেখানে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হলে ভোটাররা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও নির্বিঘœ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় ভোটকেন্দ্রের আশপাশে নির্বাচনী প্রচার ও ক্যা¤প স্থাপনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দূরত্বের বিধিনিষেধ রয়েছে। ভোটারদের নির্বিঘেœ ভোটাধিকার প্রয়োগের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করাও কেন্দ্র নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে সচেতন এলাকাবাসী প্রস্তাবিত ওই ভোটকেন্দ্রের পরিবর্তে সুবিধাজনক ও স্থায়ী অবকাঠামোর ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করার দাবি জানিয়েছেন।
সচেতন এলাকাবাসীর দাবি, তাদের আবেদন গ্রহণ করে প্রস্তাবিত কেন্দ্রের বিষয়ে সরেজমিনে যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে মোহাম্মদপুর পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে ষোলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে জেলা নির্বাচন অফিসের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র নিয়ে গেলেও তা গ্রহণ না করে সময়ক্ষেপণ করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
আবেদনকারী খলিলুর রহমান বলেন, আমরা বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদনপত্র জমা দিতে গিয়েছিলাম। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার পর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নির্বাচন কর্মকর্তা আমাদের ডেকে বলেন, এখন আর সময় নেই, রবিবারে আবেদন জমা দেবেন।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শুকুর মাহমুদ মিঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। মুঠোফোনে এ বিষয়ে কথা না বলে অফিসে এসে কথা বলার জন্য এ প্রতিবেদককে আমন্ত্রণ জানান।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ